৩০০+ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর জন্য “বিশুদ্ধ পানি” নিশ্চিত করলো মজার ইশকুল

৩০০+ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর জন্য “বিশুদ্ধ পানি” নিশ্চিত করলো মজার ইশকুল । মজার ইশকুল মানিক নগর যাত্রা শুরু করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে , মোট নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল ৬০ জন । শুভাকাঙ্ক্ষী দেলোয়ারের হোসেনের সহযোগিতায় আমরা একটি “পিউর ইট” ওয়াটার পিউরিফাইয়ার সেট-আপ করা হয় । ২০১৮ সালে মোট শিক্ষার্থী ২৪০ জন হওয়ায় কোন ভাবেই চাহিদাসম পানি যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছিল না । তবুও জানুয়ারি ১৮ থেকে জুন ১৮ পর্যন্ত কষ্ট সাপেক্ষে চালিয়ে নেয়া গেলেও জুলাই আর আগস্টের গরমে ১ম ওয়াটার পিউরিফাইয়ার অকেজো হয়ে যাওয়ায় বিশাল সমস্যা তৈরি হয় ।

 

গরমের তীব্রতা এবং মজার ইশকুলের বেশীর ভাগ শিক্ষার্থী বস্তিতে নাম মাত্র ঘরে বসবাস করায় বিশুদ্ধ পানি পায় না , ফলাফল অসুস্থ্যতা বাড়ছিল । এমতাবস্থায়, জরুরী ভাববে শতভাগ বিশুদ্ধ পানি সরবারহ জরুরী ছিল । ব্যবস্থা হলো ।

শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশী হওয়ায় আমরা মাঝারি মানের ২ টি ওয়াটার পিউরিফাইয়ার মেশিন সেট-আপ করেছি । প্রতিটা মেশিনের জন্য ২ টি করে মোট ৪ টি কল বসানো হয়েছে ।

পুর্বে নিচের ২ টি কলের মাধ্যমে “অনিরাপদ পানি” শিশুরা খেত, ইশকুল চলাকালীন সময়ে পাশের রুম থেকে বিশুদ্ধ পানি খেতে পারত ।

 

নতুন মেশন বসানোর সময় পরীক্ষা মূলক ভাববে চালানোর সময় শিশুরা এভাবেই পানি পান করত ।

এখন শিশুরা সুন্দর ভাবে নিরাপদে দাঁড়িয়ে পানি পান করতে পারে , পানি পড়ে নোংরা বা চারিপাশের পরিবেশ পিচ্ছিল হয় না । আগে যেখানে এক সাথে ২ জন পানি পান করতে পারত এখন ৪ জন একই সাথে পানি পান করতে পারছে ।

 

সকল শিক্ষার্থীর জন্য শতভাগ বিশুদ্ধ নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে দুটি মেশিন বসানো হয়েছে, যান্ত্রিক কোন ত্রুটির কারনে একটিতে তাৎক্ষনিক সমস্যা দেখা দিলেও দ্বিতীয়টি চলমান থাকবে এবং ১মটি ঠিক করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে ।

অনেক শিক্ষার্থী একই সময়ে পানি পান ও টয়লেট ব্যবহারের কারনে এই স্থানটি পিচ্ছিল ও বিপদ জনক হয়ে উঠত ।

 

এখন, প্ল্যাস্টিক কার্পেট ব্যবহারের কারনে সম্পুর্ণ নিরাপদ এবং কোন ঝুঁকি রইলো না । সকল শিক্ষার্থীর নিরাপদ টয়লেট ব্যবহার এবং পানি পান নিশ্চিত হলো

 

পানি খেতে যাওয়ার সময় পুর্বের চলাচলের পথ

বর্তমান চলার পথ , নিরাপদ

 

Supported By Faiza Rahman